বাকশালের উদ্বোধনী ভাষণ ২য় খণ্ড | বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ

বাকশালের উদ্বোধনী ভাষণ ২য় খণ্ড : সেজন্য একমাত্র উপায় আছে যে, আমরা যে আজকে মাল্টিপারপাস কো- অপারেটিভ চালু করতে চাচ্ছি, এটা যদি গ্রো করতে পারি আস্তে আস্তে এবং তাকে যদি আমরা ডিস্ট্রিক্ট এবং থানা কাউন্সিলের মাধ্যমে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে দেশের মল হতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি । এজন্য ডেডিকেটেড ওয়ার্কারের দরকার | এটা উইদাউট ডেডিকেটেড ওয়ার্কার হতে পারে না।

 

বাকশালের উদ্বোধনী ভাষণ ২য় খণ্ড | বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ
বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ | ২য় খন্ড

 

বাকশালের উদ্বোধনী ভাষণ ২য় খণ্ড | বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ

সেই জন্য আজকে আমি চাচ্ছি, আর্মির মধ্যে হোক, নেভির মধ্যে হোক, এয়ারফোর্সের মধ্যে হোক, বিডিআর হোক, পলিটিসিয়ান হোক, যেখানেই হোক, ভালো লোক যেখানে আছে, তাদের এক জায়গায় করে কাজে লাগাতে হবে। যাও, ওখানে বসো, কাজ করে নিয়ে এসো। আমার তো দরকার নাই, খালি খালি বসে আর্মির অতো পয়সা খরচ করবার তো দরকার নাই । আই ওয়ান্ট মাই আর্মি, এ পিপলস আর্মি। আই ডু নট ওয়ান্ট মাই আর্মি টু ফাইট এগিনিস্ট এনিবডি ।

বাট আই ওয়ান্ট মাই আর্মি টু ফাইট এগেইনস্ট এনিমি ৷ বাট আই ওয়ান্ট মাই আর্মি ডিপেন্ড মাইসেলফ এন্ড এাট দি সেম টাইম টু ওয়ার্ক । আর একটা ফ্যাশন আছে আমাদের, এই কাজটা তো ফুড ডিপার্টমেন্টের, এটা তো এগ্রিকালচারের, আমার তো না, এটা তো ইরিগেশনের, আমার তো না। ডিষ্ট্রিক্ট  সাবডিভিশনে সব জায়গাতে হয় কি? একজন বড় অফিসার । আমরা যখন কোথাও যাবো, দেখবো যে, রাস্তায় একটা ইট পড়ে আছে, এটা আমার ডিপার্টমেন্টের না, একথা বলে পাশ কাটিয়ে চলে গেলাম ।

হোয়াট ইজ দিস? দিস মেন্টালিটি মাস্ট বি চেঞ্জড। প্রত্যেকটি লোক, প্রত্যেকটি কাজই আমার। মাটি কাটা আমার কাজ, ফ্যাক্টরিও আমার কাজ, রাস্তা বানানোও আমার কাজ। আমি একটা হাই অফিসিয়াল । আমি একটা পলিটিসিয়ান, আমি একটা পলিটিক্যাল ওয়ার্কার, আমি একটা এম.পি, আমি দেশের একজন কর্মচারী, একজন পুলিশ অফিসার, আই হ্যাভ মাই রেসপনসিবিলিটি। এখানে চুরি হচ্ছে, এখানে অন্যায় হচ্ছে, এখানে খারাপ হচ্ছে- এটা বলার অধিকার আমার থাকবে, দেখার অধিকার থাকবে।

সেই জন্য আজকে যদি পলিটিক্যাল অর্গানাইজেশন স্ট্রং না করা হয়- ভিলেজ লেভেল থেকে আরম্ত করে শেষ পর্যন্ত যাকে ওয়াচ ডগ বলা হয়, তা যদি না থাকে, তাহলে দেশের মঙ্গল করা যায় না শুধু সরকারি কর্মচারীর ওপর নির্ভর করে। দেয়ার মাস্ট বি এ ব্যালেন্স, দেয়ার মাস্ট বি পিপলস মবিলাইজেশন। আমাদের হোল কান্ট্রিকে মবিলাইজ করতে হবে ফর ডেফিনিট পারপাস। দেখুন, বাংলাদেশের কৃষকও পিছিয়ে নাই। আমি সার দিতে পারি নাই। যা সার দিয়েছি, তার থার্টি পারসেন্ট চুরি হয়ে গেছে।

স্বীকার করেন? আমি স্বীকার করি। আমি মিথ্যা কথা বলতে পারবো না। মিথ্যা বলে একদিনও হারাম এ-দেশের প্রেসিডেন্ট থাকবো না। আমার যে সার আমি দিয়েছি, তার কমপক্ষে থার্টি পারসেন্ট ব্ল্যাক মাকের্টিং এ চুরি হয়ে গেছে। আমি যে ফুড দিই, তার কুড়ি পারসেন্ট চুরি হয়ে যায়। আমি যে মাল পাঠাই গ্রামে গ্রামে তার বিশ পারসেন্ট, পঁচিশ পারসেন্ট চুরি হয়ে যায়। সব চুরি হয়ে যায়। হুইট- আমি তো হুহট পয়াদা করি না, খুব কমই করি, তবু কোন বাজারে হুহট পাওয়া যায় না? গভর্ণমেন্ট গোডাউনের হুহট? সার তো আমি ওপেন মার্কেটে বিক্রি করি না, তবু কোন বাজারে সার পাওয়া যায় না? লেট আস ডিসকাস দিস ম্যাটার ।

দেয়ার শ্যাল বি এ ফ্রি ডিসকাশন। আমাদের একটি জিনিস মনে রাখা দরকার । যে লোক হাসতে হাসতে জীবনের মায়া কাটিয়ে ফাসি পর্যন্ত যেতে পারে, যে জানে গুলি হয়ে এক ঘন্টা পর মারা যেতে পারে- সেই মানুষ ক্ষমতার জন্য মিথ্যা কথা বলবে না, এটা আপনাদের জেনে রাখা উচিত। এইগুলো কি করে আপনারা করবেন? এই এগ্রিকালচার আমার নয়- চুরি হয় হোক। এই ফুড আমার নয়, চুরি হচ্ছে হোক। এটা আমার নয়, চুরি হচ্ছে হোক- এসব চলতে পারে না। নেশন মাস্ট বি ইউনাইটেড এগেনিস্ট করাপশন। পাবলিক ওপেনিয়ন মবিলাইজ না করলে শুধু আইন দিয়ে করাপশন বন্ধ করা যাবে না এবং সেই সাথে সিস্টেমই পরিবর্তন করতে হবে।

ঘুণে ধরা সিস্টেম দিয়ে করাপশন বন্ধ করা যায় না। এই সিস্টেম হলো করাপশনের পয়দা । এই সিস্টেম করাপশন পয়দা করে এবং করাপশন চলে । সেই জন্য আমার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক । ভেঙ্গে ফেলে সব নতুন করে গড়তে হবে । নিউ সিস্টেম করতে হবে । সেই জন্য আমি কো-অপারেশনে এ গিয়েছি। আমি জাম্প করতে চাই না। আমি জাম্প করবার মানুষ নই। আমি স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখি ১৯৪৭-৪৮ সালে। কিন্তু আমি ২৭ বছর পর্যন্ত স্টেপ বাই স্টেপ মুভ করেছি।

আমি জানি, এদের সাথে মানুষ থাকতে পারে না। আমি ইম্পেশেন্ট হই না। আমি এডভেঞ্চারিস্ট নই। আমি খোদাকে হাজের-নাজের জেনে কাজ করি। চুপি চুপি আস্তে আস্তে মুভ করি সব কিছু নিয়ে। সেই জন্য আমি বলে দিয়েছি ৬০টা ৭৫কি ১০০টা কো- অপারেটিভ করবো। এই কো-অপারেটিভে যদি দরকার হয়, সেন্ট্রাল কমিটির এক-একজন মেম্বার এক-একটা চার্জে থাকবেন। লেট আস স্টার্ট আওয়ার সেলভস। ১১৫ জন সেন্ট্রাল কমিটির মেম্বার আছে।

 

বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ | ২য় খন্ড
বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ | ২য় খন্ড

 

এর মধ্যে ১০০কি ৭০ জনকে এক-একটা কো-অপারেটিভের চার্জ দিয়ে দেব সুপারভাইজিং অফিসার করে। লেট আস স্টার্ট। ওয়াস ইউ আর সাকসেসফুল এবাউট দিস মালটিপারপাস সোসাইটি, দেশের মানুষকে একতাবদ্ধ করা যাবে। বদমায়েশ একদল লোক, জমি সব শেখ সাহেব নিয়ে যাবে বলে তারা প্রপাগান্ডা করে। জমি নেবো না। তোমরা চেষ্টা করবে, একসাথে ফসল উৎপাদন করবে, তোমার শেয়ার তুমি নেবে। তবু এগেনিস্ট প্রপাগান্ডা করে। জমি নেবো না, জমি থাকবে ।

কিন্তু জমির একটা লিমিট আছে তোমাদের রাখার । আইন হয়েছে, ১০০ বিঘার বেশি রাখতে পারবে না। সেটা আমরা ফলো করবার চেষ্টা করবো এবং আস্তে আস্তে যদি ফ্লাড বন্ধ আমার দেশের জমির মধ্যে পার্থক্য আছে। এখন আমি যদি সুনামগঞ্জের জমি যেখানে তিনবার বছরে বন্যা হয়, এক বছর ফসল হয়-নর্থ বেঙ্গলের জমি আর বরিশালের জমি, চিটাগাং হিল ট্রাকের জমিতে, আর অন্য সব জমি এক পর্যায়ে দেখতে চাই তাহলে অসুবিধা হবে। আমার স্টাডির প্রয়োজন আছে। কোন জায়গায় কতো পরিমাণ ফসল হতে পারে।

আজকে কো-অপারেটিভ যদি আমরা করতে পারি, সেখানে যদি ফার্টিলাইজার দিতে পারি, রেশন কার্ড দিতে পারি। তাহলে চুরিটা কম হবে। সেখানে যদি ওয়ার্ক প্রোগ্রামের টাকা দিতে পারি- চুরিটা কম হবে। একটা সিস্টেমের মধ্যে আসতে পারি । চিৎকার করে, গালাগালি করে কাজ হবে না। এই যে পলিটিক্যাল পার্টি- এটা খুব ইমপরট্যান্ট জিনিস। এর মেম্বারশীপ ইচ্ছা করলেই পাওয়া যায় না। মেম্বার বেছে বেছে নিতে হবে।

গলায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে বলবে, আমি মেম্বার, আমাকে একটা পারমিট দাও, সেটা হবে না। মেম্বার যে হবে তার একটা কার্য থাকবে। প্রাইমারী মেম্বার থাকবে অনেক। এছাড়া অমি আপনাদের বর্তমান মেম্বার করে দিয়েছি। আপনাদের জন্য কৃষক, লেবার অর্গানাইজেশন হচ্ছে। লেবার পলিসি করতে হবে, প্ল্যান করতে হবে । কোন ঢাকটঢাক গুড়গুড় থাকবে না। এই আমার আছে, এই তোমার ডেভেলপমেন্ট, এই ইনকাম করতে পারলে এই তোমরা পাবে । দিতে চাই আমি তোমাদের লাভের জন্য। ওদেরও দিতে হবে। তোমরা মানুষের মতো বাস করবে। তাদের দিতে হবে, যাতে কৃষক কৃষকের মতো বাস করতে পারে। ছাত্র লেখাপড়া করবে নতুন সিস্টেমে ।

আমরা একটা নতুন এডুকেশন সিস্টেম করতে বলেছি। কেরানি পয়দা করে লাভ হবে না। মানুষ পয়দা করতে হবে। নতুন এডুকেশন সিস্টেম করতে পারি কিনা, আমরা তা দেখছি। দেশে সার্বিক অবস্থা ইমপ্রভ করতে সময় লাগবে । তিন বছর, সাড়ে তিন বছর একটা দেশের জীবনে কিছুই না। আমাদের ইকনমিক কমিশন ভালো নয় । আমাদের মাল বিদেশ থেকে বেশি আনতে হয় । কমিট করতে গেলে ফাইন্যান্স মিনিস্টার সাহেব আমার কলার ধরে বসেন। মহাবিপদ আমাকে নিয়ে ।

টাকা পাওয়া যাবে না। দেশের ট্যাক্স, জাতীয় আয় বাড়াতে পারলে দেশের আয়ও বাড়ে। ইনশাল্লাহ আমরা কতকগুলো স্টেপ নিয়েছি, ইকনমিক স্টেপ। তাতে আমরা এটুকু বলতে পারি যে, আমরা যে একটা ভীষণ খারাপ অবস্থায় পড়েছিলাম গত বছর, ইনশাল্লাহ অতখানি খারাপ অবস্থায় এ বছর নাই। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি এখন এখানে বেশি কিছু বলতে চাই না। ফাইন্যান্স মিনিস্টার এ-মাসের ২৩ তারিখে পালামেন্টে বক্তৃতা করবেন। তিনি সেদিন বলবেন।

তবে, আমি এটুকু বলতে পারি আমাদের ইকনমিক কন্ডিশন ইজ নট সো ব্যাড গ্যান্ড ইট উইল ইমপ্রভ ডে বাই ডে। কারণ, দেশের মানুষের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরে আসছে। তারা কাজ করছে। ফ্যাক্টরিতে কাজ হচ্ছে, কৃষক ভাইরা সবাই কাজে গ্যাডভান্স করেছে, দেশের মানুষও এগিয়ে এসেছে। ইনশাল্লাহ আই সি এ ব্রাইট অব মাই কান্ট্রি। তবে এখানে যে শোষনহীণ সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কথা আমরা বলেছি, সে অর্থনীতি আমাদের, সে ব্যবস্থা আমাদের ।

কোন জায়গা থেকে হায়ার করে এনে, ইমপোর্ট করে এনে কোন ইজম চলে না। এ-দেশে কোন দেশের ইজম চলে না। আমার মাটির সাথে, আমার মানুষের সাথে, আমার কালচারের সাথে, আমার ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে, আমার ইতিহাসের সাথে যুক্ত করেই আমার ইকনমিক সিস্টেম গড়তে হবে। কারণ আমার দেশে অনেক অসুবিধা আছে। কারণ, আমার মাটি কি? আমার পানি কতো? আমার এখানে মানুষের কালচার কি, আমার ব্যাকথাউন্ড কি, তা না জানলে হয় না।

ফান্ডামেন্টালি আমরা একটা শোষণহীন সমাজ গড়তে চাই, আমরা একটা সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি করতে চাই । বাট দি সিস্টেম ইজ আওয়ার্স। উই ডু নট লাইক টু ইমপোর্ট ইট ফ্রম এনিহয়ার ইন দি ওয়ার্ড । এটা আমার মত, পার্টির মত। আমরা কারো বিরুদ্ধে কোন কিছু বলতে চাই না। আমাদের একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে যে, এ ওর বিরুদ্ধে গালাগালি করে, ও অন্য একজনের বিরুদ্ধে গালাগালি করে। বাংলাদেশের মাটিতে যেন একটা হটবেড অব ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স হয়ে গেছে।

এ ওরে গালাগালি করে, ও এরে গালাগালি করে। আমার মাটিতে বসে গালাগালি দরকার কি বাবা । যার যার দেশে দেশে গিয়ে গালাগালি করো । একটা ডিপ্লোম্যাটিক ডেকোরাম আছে। – এক দেশে দীড়িয়ে অন্য দেশের বিরুদ্ধে কথা বলা চলে না । আমার. দেশে তোমার কি ভালো- সেটা বল। আই বিলিভ ইন পজিটিভ আ্যাপ্রোচ, নট এ নেগেটিভ আ্যাপ্রোচ। সেজন্য আমার পার্টিতে আপনারা যারা আছেন, আসুন, আমরা পজেটিভ আ্যাপ্রোচ নিই। আমি যখন খুব ইয়ং ছিলাম, আমার নেতা সোহরাওয়ার্দী সাহেবকে কেউ গালাগালি করলে আমি রাগ করে তার কাছে যেতাম ।

তিনি হেসে বলতেন, থাক বলতে দাও। ওতে কি হবে? উনি আমাকে বলেছেন, থিংক ফর এ পজিটি  আ্যাপ্রোচ  চদ্যান এ নেগেটিভ  আ্যাপ্রোচ। আমার লাইফকে আমি এ দৃষ্টিতেই দেখেছি। যখন আমি ৬-দফা দিলাম, আমার বিরুদ্ধে যখন বক্তৃতা আরম্ভ করলো সকলে মিলে, আমি কিন্তু কারো বিরুদ্ধে কোন কথা বললাম না। আমি চলে গেলাম দেশের মানুষের কাছে। গিয়ে ৬-দফার প্রচার আরম্ত করে দিলাম । আমি যখন পার্টি রিভাইভ করলাম, আমার বিরুদ্ধে বক্তৃতা হলো। কিন্তু আমরা চলে গেলাম পিপলের কাছে।

পিপল আমাকে গ্রহণ করে নিলো। কাউকে গালাগালি করে লাভ নাই। আমি বিশ্বাস করি, ক্যাম্বোডিয়া, আই শুড রিকগনাইজ ইট । আই ডোন্ট কেয়ার এনিবডি ইন দি ওয়ার্ড হোয়েদার এনিবডি ইজ স্যাটিসফায়েড অর এনিবডি ইজ আনহ্যাপি অর এনিবডি ইজ হ্যাপি । আই ফিল দ্যাট দে আর ফাইটিং ফর দেয়ার ওন লিবার্টি। আই এযাম উইথ দেম। আই সাপোর্ট পিআরজি।

আই গিভ দেম রিকগনিশন বিকজ আই এ্যাম এ সাফারার, আই এ্যাম এ সাফারার ফর জেনারেশন টু জেনারেশন ফর দিস বেঙ্গলি নেশন। যে যুদ্ধ করছে তার মাতৃভূমির জন্য, তাকে সমর্থন দেবো। তাই বলে আমি অন্যকে গালাগালি করবো না। এই জিনিসটি আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো । আজকে আপনারা মনে রাখবেন যে, নতুন আর্ষি, নেভি, এয়ারফোর্স, ডক্টরস, ইঞ্জিনিয়াস যদ্দুর সম্ভবপর এদের রাখার চেষ্টা করেছি।

পলিটিশিয়ানদের মধ্যে অনেক এক্সপিরিয়ে্সড- আমার পুরানো বন্ধুরা আছেন, যারা আগে আমাদের সাথে ছিলেন। কিছুদিন ডিফারেন্ট পার্টি করেছেন। আগে আমরা এক জায়গায়ই ছিলাম । মধ্যে ভাগ হয়ে গেলাম, এটা সব জায়গায় হয়। আবার আমরা এক হয়েছি। সেকেন্ড রেভুলেশণ ইজ নট দি ইন্ড। সেকেন্ড রেভুল্যশন যে করেছি আমি, চারটা প্রোগ্রাম দিয়েছি- এটাই শেষ নয়। করাপশন, ন্যাশনাল ইউনিটি গ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং।

 

বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ | ২য় খন্ড
বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ কমিটিতে বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী ভাষণ | ২য় খন্ড

 

এগুলো করলেই আমরা একটা শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়তে পারবো- যেখানে মানুষ সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে বাস করতে পারবে । এটাই হলো আমার সেকেন্ড রেভুল্যুশনের মূল কথা- এজন্যই আমি সেকেণড রেভূল্যুশনের ডাক দিয়েছি। আজ আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি, আমার বহু সহকর্মী- যাদের সাথে আমি দূর্দিনে কাজ করেছি, বিপদের দিনে কাজ করেছি, ১৯৪৭, ৪৮, ৪৯ সালে, তারা আজকে এখানে এসেছেন। মাঝখানে এদিক-ওদিক ছুটে ছুটে গিয়েছিলেন অনেকে ।

ডিফারেস অব ওপেনিয়ন- এর জন্য । আজকে আমরা আবার এক হয়েছি, সরকারি কর্মচারীরা এক হয়েছি। আজকে সকলে মিলে যার যা কর্তব্য আছে করুন। সেই সাথে করাপশনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। সারা বাংলাদেশের টুয়েনটি থেকে থার্টি পার্সেন্ট দুঃখ দূর হয়ে যাবে মানুষের । এজন্য লেট আস টেক টুডে। যে নিজেরা আমরা করাপ্ট প্র্যাকটিস করি, তাই আবার অন্য কেউ করলে আমরা সহ্য করি না। উই মাস্ট মবিলাইজ দি পিপল এগেনিস্ট করাপশন। এটা যদি করতে পারি, দেখবেন, অনেক প্রবলেম আমরা সলভ করতে পারবো ।

এ জন্যই আজকে আমাদের মবিলাইজ করতে হবে পিপলকে । আমাদের সোশ্যালি বয়কট করতে হবে- যে লোকটা ঘুষ খায় তাকে । সোশ্যালি বয়কট করতে হবে যে যে লোকটা ইনকাম তিন হাজার টাকা, কেমন করে সে ব্যয় করে ১৫ হাজার টাকা । এই জিনিসটা সমাজের কাছে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে এবং তাহলেই সমাজ তথা পিপলের আপনাদের ওপর আস্থা ফিরে আসবে ।

আমি মাঝে মাঝে আল্লাহর কাছে বলি যে, গেছি নট্গ্রাম, চট্টথাম থেকে গেছি সেখানে (বেতবুনিয়া), সে গ্রামের মধ্যে লাখ লাখ লোক দুই পাশে বসে আছেন, ওরা এসেছেন আমাকে দেখার জন্য । মনে মনে আমি বলি- আমি কি করেছি ওদের জন্য? আমার দুঃখ হয়, স্টিল দে লাভ মি। দুনিয়ার নিয়মই এই । ভালোবাসা পেতে হলে ভালোবাসতে হয় এবং সে ভালোভাসা সিনসিয়ারলি হওয়া দরকার । তার মধ্যে যেন কোন খুঁত না থাকে ।

ইফ ইউ ক্যান লাভ সামবডি সিনসিয়ারলি, ইউ উইল গেট দি লাভ অব সামবডি। দেয়ার ইজ নো ডাউট এবাউট ইট । আমার জীবনে আমি দেখেছি, লাখ লাখ লোক দু’পাশে দাড়িয়ে কি করুণ অবস্থার মধ্যে, আমি তো কল্পনাও করতে পারি না হোয়াই দে লাভ মি সো মাচ? আমি আপনাদের কাছেঅনুরোধ করি, মবিলাইজ দি পিপল এ্যান্ড ডু গুড টু দি হিউম্যান বিইংস অব বাংলাদেশ। দীজ আনফরচুনেট পিপল হ্যাভ সাফার্ড লং-জেনারেশন আফটার জেনারেশন ।

এদের মুখে হাসি ফোটাতে হবে, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হবে, এদের খাবার দিতে হবে। যদি আমরা একটা শোষণহীন সমাজ গড়তে পারি, যদি করাপশন বন্ধ করতে পারি, আমি বিশ্বাস করি, ইনশাল্লাহ বাংলার যা এখনো আছে, তাতে সাড়ে ৭ কোটি লোক হলেও বাংলার মানুষ না খেয়ে মরতে পারে না। আই হ্যাভ সীন দ্যাট । আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই। কারণ, আই হ্যাভ বিকাম ইমোশনাল ।

আগষ্ট মাসে আমি আপনাদের সভা ডাকছি উইথ ডেফিনিট এজেন্ডা। ফুড, এগ্রিকালচার, ইন্ডাস্ট্রি, এডুকেশন, কো-অপারারেটিভ সমস্ত প্রোগ্রাম দিয়ে তারপর আমি আপনাদের এই হাউসটাকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে দিচ্ছি। আপনারা ডিভাইড হয়ে যাবেন। সব কিছু ডিভাইড হয়ে গেলে- তখন এই কমিটিতে বা গ্রুপে সেক্রেটায়িরেট থেকে লোক আসবে, গভর্ণমেন্ট থেকে লোক আসবে, ডিপার্টমেন্ট থেকে আসবে, পলিটিক্যাল ওয়ার্কার আসবে, সমস্ত ফ্যাক্টস-ফিগার নিয়ে ।

এই জায়গাতে কোথায় ডিফেন্ট হয়েছে, কোন জায়গাতে ইমপ্রভ করতে পারি, সে সম্পর্কে আপনারা একটা সাজেশণ দেবেন। তখন কেন্দ্রীয় কমিটি কার্ষনিবাহী কমিটির কাছে সুপারিশ পেশ করবে এবং এ কমিটি সরকারকে এটা কার্ষকরী করতে অনুরোধ করবে । আপনাদের অনেক কষ্ট দিলাম । বেয়াদবি মাফ করবেন। লেট আস ওয়ার্ক টুগেদার, উই আর নাউ ওয়ান পার্টি। পার্টি মানে কি, জানেন? এভরি পার্টি ওয়ার্কার অব মাইন ইজ লাইক মাই ব্রাদার, ইজ লাইক মাই সন।

আই ক্রিয়েটেড এ ফ্যামিলি হোয়েন আই অরগ্যানাইজড আওয়ামীলীগ | বাংলাদেশে এমন কোন জায়গা নাই যেখানে আমি যাইনি। আর পলিটিক্যাল পার্টি মিনস এ ফ্যামিলিয়ার, মধ্যে আছে আইডিওলজিক্যাল এফিনিটি। সেজন্য পার্টিতে উই আর ওয়ান ফর সাম পার্টিকুলার পারপাসেস, হয়্যারেভার উই আর । আমাদের আদর্শ হলো বাংলাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ইজ্জত সহকারে দুনিয়াতে বাচিয়ে রাখা, বাংলার দুঃখী মানুষকে পেট ভরে খাবার দিয়ে শোষণমুক্ত সমাজ গঠন করা, যেখানে অত্যাচার অবিচার জুলুম থাকবে না, দুর্নীতি থাকবে না। লেট আস অল ট্রাই ফর দ্যাট । আসুন, আমরা চেষ্টা করি- সে সম্পর্কে সকলে মিলে । আপনাদের অশেষ ধন্যবাদ

Bangabandhu Gurukul
Bangabandhu Gurukul

 

আরও পরুন :

মন্তব্য করুন