বঙ্গবন্ধুর সরকার -শিল্পক্ষেত্রে পুনর্গঠন

বঙ্গবন্ধুর সরকার -শিল্পক্ষেত্রে পুনর্গঠন

বঙ্গবন্ধুর সরকার – শিল্পক্ষেত্রে পুনর্গঠন : পাকিস্তান ছিল অর্থনৈতিক বৈষম্যের দেশ। যে দেশে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বড় ছিল। আর আঞ্চলিক শোষণের কারণে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক চিত্র তুলনামূলকভাবে খারাপ; দরিদ্র শ্রেণির মানুষের অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই বিত্তহীন খেটে খাওয়া মানুষের অংশগ্রহণ ছিল ব্যাপক। তাদের মনে প্রবল বিশ্বাসও জন্মেছিল যে, দেশ স্বাধীন হলে তাদের দুর্দশার অবসান ঘটবে।

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman

বঙ্গবন্ধুর সরকার – শিল্পক্ষেত্রে পুনর্গঠন

তাই সমাজতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য ছিল এবং এর মাধ্যমেই বিত্তহীন সাধারণ মানুষের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান সম্ভব ছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাই সমাজতন্ত্রকে একটি রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে আখ্যায়িত করে সংবিধানে স্থান দেন এবং এর মাধ্যমেই শোষিত নিপীড়িত মানুষের প্রতি ন্যায্য আচরণের অঙ্গীকার করেন। শুধু তাই নয়, সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য তিনি রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক সংস্কার সাধন করেন। এরই অংশ হিসাবে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সরকার ৮৫% শিল্প নিজ মালিকানায় নিয়ে আসেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে শিল্প স্থাপনের সিলিং দেওয়া হয় ২৫ লক্ষ টাকার।

১৯৬৯ সালের ১১ দফা বাস্তবায়নের একটি বড় দিক ছিল এই রাষ্ট্রীয় খাতের ভিত্তি স্থাপন । ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশ শিল্প জাতীয়করণ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ২৬ মার্চ ১৯৭২ সালে সরকার শিল্পনীতি ঘোষণা করেন। এতে ২৫ লক্ষ টাকার বেশি মূলধনসম্পন্ন সকল কারখানা রাষ্ট্রায়ত্ব করার কথা ঘোষণা করা হয়। ফলে বৃহৎ-ক্ষুদ্র শিল্পের ৮৫%-৯০% শিল্প রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আনা হয়।

এর মধ্যে ১১১টি পাকিস্তানিদের পরিত্যক্ত ইউনিট, ৭৫টি বাঙালি মালিকানাধীন, EPIDC-এর ৫৩টি বৃহৎ শিল্প এবং ৪০০টি পরিত্যক্ত ক্ষুদ্রশিল্প সরকারি মালিকানায় আসে। সরকারি ওয়াদা পূরণই এই জাতীয়করণের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সরকার যে সকল কারণে রাজনৈতিক ওয়াদা দিয়েছিলেন তার মূলে ছিল :

১. সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করার জন্য এবং সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য জাতীয়করণ নীতি ঘোষণা করেন।

২. বৃহদায়তন শিল্পসমূহ সরকার নিজ রক্ষণাবেক্ষণে নিয়ে অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন।

৩. বেসরকারি খাত শিল্পায়ন হওয়ায় দেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ শিল্পায়ন হয়নি। তাই সরকার শিল্পখাত নিয়ন্ত্রণে এনে আঞ্চলিক বৈষম্য দূরীকরণ ও আন্তঃখাতের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য প্রচেষ্টা নেন।

৪. শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ একমাত্র রাষ্ট্রই করতে পারে। তাই রাষ্ট্রীয়করণ দ্বারা শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও শিল্প-ব্যবস্থাপনার উন্নতি সাধনের চেষ্টা করেন।

৫. দীর্ঘ নয়মাস যুদ্ধের পর পাকিস্তানি মালিকরা দেশ ছেড়ে চলে যায় এবং অধিকাংশ কল-কারখানার অধিকাংশ দামি যন্ত্রাংশ হারিয়ে ফেলে। স্বাধীনতার পর এই সব কারখানার অভিভাবকত্ব সরকারকে নিতে হয়। কারণ তখন দেশে এমন কোনো ব্যক্তি ছিল না যিনি এসব শিল্প-কারখানা চালু করে দেশকে গড়ে তুলবেন । কাজেই সরকার বাধ্য হয়েই ঐ সমস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয়করণ করে করে। এবং অচল যন্ত্র সচল করার জন্য বিরাট আর্থিক ব্যয় বরাদ্দ।

৬. অধ্যাপক রেহমান সোবহান হিসাব করে দেখান যে বাঙালি মালিকানাধীন কলকারখানাগুলোর ২৪% কাগজ-কলমের হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে ৫৮% সরকারি ঋণ এবং ১৯% জনগণের Equity Share থেকে বিনিয়োগ ঘটে। কাজেই দেশের সজাগ নাগরিকরা চেয়েছিল যে এমন কলকারখানা সরকারিকরণ করলে কোনোরূপ ব্যক্তির উপর অত্যাচার হবে না।

৭. আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের ৮২%-৯১% পাকিস্তানিদের মালিকানায় ছিল। স্বাধীনতার সময় এই প্রতিষ্ঠানগুলো মালিক ছাড়াও তরল সম্পদহীন হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে সরকার জাতীয়করণ করেন । রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে লোকসানের অজুহাতে অনেকেই বঙ্গবন্ধুর শিল্পনীতির রাষ্ট্রীয়করণ প্রক্রিয়াকে সমালোচনা করেন এবং পরবর্তীকালে অনেক শিল্পই বিরাষ্ট্রীয়করণ করা হয় । কিন্তু রাষ্ট্রীয়করণই শিল্পে লোকসানের একমাত্র কারণ নয়। যেমন BTMC ১৯৮৭-৮৮ সালে ৩০ কোটি টাকা মুনাফা করে। এবং ১১ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়।

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman with his colleagues

পক্ষান্তরে বেসরকারি করা হয়েছে এমন ৩৩টি পাটশিল্প ১৯৮৪-৮৫ অর্থ বছর ১২৫ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে। শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক হিসাব থেকে দেখা যায় ২৪টি শিল্পের মধ্যে ৩৩.৩% বা ৮টি শিল্পের বিরাষ্ট্রীয়করণের ফলে মুনাফা বেড়েছে বা ক্ষতি কমেছে অথবা ক্ষতি থেকে মুনাফা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে ৬৬.৬% শিল্পের অবস্থা খারাপ হয়েছে। সেখানে মুনাফা কমেছে, বা লোকসান বেড়েছে বা মুনাফা থেকে ক্ষতি হয়েছে অথবা কোনো কোনোটি বন্ধ হয়েছে।

কাজেই বলা যায় রাষ্ট্রীয়করণ লোকসানের হেতু নয়। তবে একথা সত্য যে, স্বাধীনতা লাভের পর কলকারখানার উৎপাদন হ্রাস পায় । ১৯৬৯-৭০ সালের তুলনায় ১৯৭২-৭৩ সালে মোট উৎপাদন শতকরা ১৫ ভাগ হ্রাস পায় এবং অনেকগুলো প্রধান শিল্পের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কম হয়।

এর পিছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো হলো- প্রথমত, ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তির অভাব; দ্বিতীয়ত, আমদানিকৃত দ্রব্য পৌঁছতে বিলম্ব, তৃতীয়ত, শ্রমশক্তিকে সদিচ্ছাপ্রণোদিত করে তার পূর্ণ সদ্ব্যবহারে অপারগতা; চতুর্থত, বিভিন্ন কল-কারখানার সুচারু কর্মসম্পাদনের উপযোগী সাংগঠনিক কাঠামো নির্মাণে অসুবিধা এবং পঞ্চমত, বিভিন্ন কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন। স্বাধীনতালাভের পরে টাকার বিনিময় হারের সামঞ্জস্যবিধানের ফলেও সকল আমদানিকৃত দ্রব্যের স্থানীয় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

এসব প্রতিবন্ধকতার ভিতর দেশের শিল্পকারখানার উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন তিন কোটি ডলার ব্যয়ে ১৯৭টি ভারি শিল্প সংস্কার, ২৩৭টি ভারি শিল্পে ১৫০০০ শ্রমিক নিয়োগ এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, কারখানাগুলোর উৎপাদনের জন্য ৩৪ কোটি টাকার কাঁচামাল আমদানি, শ্রমিক প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের জন্য ২৮ কোটি টাকা ব্যয় ইত্যাদি ছিল দেশের শিল্প-কারখানাকে উৎপাদনমুখী করার জন্য বঙ্গবন্ধু সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ। বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ পদক্ষেপের কারণে সমস্ত বাধা অপসারিত হয়ে শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman

উদাহরণস্বরূপ ১৯৬৯-৭০ সালের উৎপাদন মাত্রার তুলনায় ১৯৭৩-৭৪ অর্থ বছরে অর্জিত উৎপাদন মাত্রা কাপড়ের ক্ষেত্রে শতকরা ২৬.৬ ভাগ, তরল ঔষধাদির ক্ষেত্রে শতকরা ১৮ ভাগ, নৌযানের ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ ভাগ, ইলেকট্রিক ফ্যানের ক্ষেত্রে শতকরা ৫০ ভাগ, মোটরগাড়ি, ট্রাক ও বাস যুক্তকরণের ক্ষেত্রে শতকরা ৩৯৪ ভাগ এবং সাইকেলের ক্ষেত্রে শতকরা ১৭ ভাগ বেড়েছে।

১৯৬৯-৭০ সালের স্টিল ইনগট উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪১,৯৯৩ টন। ১৯৭৩-৭৪ সালে তা হয়েছে ৫৮,২৫৩ টন । কাঁচা রবারের উৎপাদন ১৯৬৯-৭০ সালে ছিল মাত্র ১২,০০০ পাউন্ড, ১৯৭৩-৭৪ সালে তা দাঁড়িয়েছে ১,৬৮,০০০ পাউন্ডে। ১৯৭২-৭৩ সালে চিনির উৎপাদন ছিল ১৯,০০০ টন। ১৯৭৩-৭৪ সালে এই উৎপাদন বেড়ে হয়েছে প্রায় ৮৮,০০০ টন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সমস্ত কলকারখানা যেখানে ধ্বংসপ্রাপ্ত সেই সকল কলকারখানা পুনর্গঠন করে যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থার উৎপাদনে ফিরে যাওয়া ছিল বঙ্গবন্ধু সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য। নিম্নে দুটি উল্লেখযোগ্য নিত্যপ্রয়োজনীয় শিল্পপণ্যের বছর ভিত্তিক উৎপাদনের চিত্র উল্লেখ করা হলো :

বছর — চিনি উৎপাদন (হাজার মেঃ টন) — কাপড় উৎপাদন (মিলিয়ন গজ)
১৯৬৯-৭০ — ৮৮ — ৫৯

১৯৭০-৭১ — ৯৯ — ৫২

১৯৭১-৭২ — ১৮ — ২৩

১৯৭২-৭৩ — ১৯ — ৫৮

১৯৭৩-৭৪ — ৮৮ — ৭৯

১৯৭৪-৭৫ — ৯৮ — ৮৪

১৯৭৫-৭৬ — ৮৭ — ৭৪

উপরের তালিকা থেকে লক্ষ্য করা যায় যে, নয় মাসের যুদ্ধে সমস্ত মিল কলকারখানা ধ্বংস হওয়ায় চিনি উৎপাদন ১৯৭১-৭২ সালে হ্রাস পেয়ে ৯৯ হাজার মেট্রিক টন থেকে নেমে আসে মাত্র ১৯ হাজার মেট্রিক টনে। বঙ্গবন্ধু সরকারের পদক্ষেপের কারণে মাত্র দুই বছরে সমস্ত পুনর্গঠন কাজ সম্পন্ন করে দেশে চিনির উৎপাদন ৯৮ হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছিল ।

শিল্পখাতে উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর এই পদক্ষেপ কতখানি বলিষ্ঠ ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় দেশে চিনি উৎপাদনে বঙ্গবন্ধুর সরকারের ঠিক পরবর্তী সরকারের আমলে দেখা যায় উৎপাদন হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৮৭ হাজার মেট্রিক টনে। অনুরূপভাবে কাপড় আরও একটি অন্যতম শিল্পজাত পণ্য। কাপড় মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য একটি পণ্য।

সেই পণ্যের উৎপাদনের ক্ষেত্রেও যেটি লক্ষ্য করা যায় তা হলো বঙ্গবন্ধু সরকার সমস্ত পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন করে উৎপাদন নিয়ে এসেছিলেন ৮৪ হাজার মিলিন গজে অথচ সেই উৎপাদন ঠিক পরবর্তী সরকারের আমলে হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় মিলিয়ন গজে। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উৎপাদনের বছরভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে যেটি প্রমাণিত হয় তা হলো- বঙ্গবন্ধু সরকারের উৎপাদনের রাজনীতি কতটা সাফল্যজনকভাবে এগিয়ে চলেছিল।

এছাড়া সার্বিকভাবে দেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ১৯৭৪-৭৫ অর্থ বছর পর্যন্ত জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের যে আয় ছিল ১৯৭২-৭৩ সালের স্থির মূল্যে তা ছিল নিম্নরূপ :

বছর — ১৯৭২-৭৩ সালের স্থির মূল্যে শিল্প খাতের আয় — প্রবৃদ্ধির হার

১৯৭২-৭৩ – ২৬৬.৭ কোটি টাকা

১৯৭৩-৭৪ – ৪০৭.৯ কোটি টাকা — ৫২.৯৪%

১৯৭৪-৭৫ –  ৩৫৮.৭ কোটি টাকা —  (১২.০৬%)

উপরের তালিকা অনুযায়ী ১৯৭২-৭৩ সালের তুলনায় ১৯৭৩-৭৪ সালে স্থিরমূল্যে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫২.৯৪% এবং ১৯৭৪-৭৫ সালে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্বক হয় ১২.০৬%। ১৯৭৪-৭৫ সালে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এবং দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক হলেও বঙ্গবন্ধু সরকারের শাসনামলে সার্বিকভাবে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬%।

১৯৭৫-৭৬ অর্থ-বছর থেকে ২০০৮-০৯ অর্থ-বছর পর্যন্ত ৩৩ বছরে যদি ১৬% হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হতো তা হলে ২০০৮-০৯ অর্থ-বছরে চলতি মূল্যে শিল্পখাতে আয় দাঁড়াত ১০,৩৮,২০৪ কোটি টাকা। (যার ক্যালকুলেশন তালিকা ২-এ উল্লেখ করা হলো) কিন্তু ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে চলতি মূল্যে শিল্প খাতে আয় দাঁড়িয়েছে ১০৫,৮৯০ কোটি টাকা।

শিল্পখাতে বর্তমান আয় অনুযায়ী ৩৩ বছরে গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮.৫০%, অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু সরকার শিল্পখাতে গড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিলেন পরবর্তী ৩৩ বছরে গড় অর্জিত প্রবৃদ্ধির প্রায় দ্বিগুণ। শিল্পখাতে দুই সময়ের এই গড় প্রবৃদ্ধির হারের পার্থক্যই প্রমাণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে শিল্পখাতকে শক্তিশালী করতে বঙ্গবন্ধু যথেষ্ট কার্যকরী উদ্যোগ এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

সূচিপত্র দেখুন : বঙ্গবন্ধুর সরকার 

One thought on “বঙ্গবন্ধুর সরকার -শিল্পক্ষেত্রে পুনর্গঠন”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।